ইসলামী যুগে নারীর মর্যাদা

যেমনভাবে জাহেলী যুগে নারীদের কোন মান-মর্যাদা বলতে কিছুই ছিল না, ছিল না থাকার অধিকার, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার। অথচ ইসলামই তাদেরকে দিয়েছে যথাযােগ্য অধিকার ও মর্যাদা। মা হিসাবে সর্বশ্রেষ্ট মর্যাদা,
কন্যা হিসাবে ও স্ত্রী হিসাবেও দিয়েছে সুউচ্চ আসন। প্রথমে কন্যা হিসাবে জন্ম গ্রহণ করার কারণে যেমন বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না, তেমন রাসূল (সাঃ)- এর বাণী মহান আল্লাহ কন্যা সন্তানদের প্রথিত করা চিরতরে হারাম করে দিয়েছেন।
.
অন্য এক বর্ণনায় আছে,
.
عن أنس بن مالي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قال جاريتين
حتى تبلغا جاء يوم القيامة أنا وهو
.
আনাস বিন মালেক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার দুটি কন্যা সন্তানকে বিবাহ দেওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করল। আমি এবং সেই ব্যক্তি কিয়ামতের দিন জান্নাতের মাঝে এভাবে থাকব। একথা লে তিনি তার নিজের আঙ্গুলগুলাে মিলিয়ে ধরলেন’ * উল্লিখিত হাদীছ দু’টি দ্বারা বুঝা যায় যে, ইসলাম নারীদের যেমন মর্যাদা য়েছে অন্য কোন ধর্ম সে মর্যাদা দিতে পারেনি। হে পাঠক সম’জ! নারী
মুক্তির উপায় খুঁজতে হলে ইসলামের দিকেই ফিরে আসতে হবে। সেখানেই
পাওয়া যাবে নারীদের প্রকৃত সম্মান-মর্যাদার দিক-নির্দেশনা । অতএব আসুন,
কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক নিজেদের জীবনকে ঢেলে সাজাই; সমাজ ও
দেশকে গড়ি তুলি শান্তির আবাসস্থলে। তাহলেই পেতে পারি কেবল নারী
নির্যাতন হতে মুক্তি। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তুমি সেই তাওফীকৃ দান কর-
আমীন!!

Leave a Reply

Your email address will not be published.