একজনের দামেরউপর অন্যের দাম বলা হারাম

মহানবী (সা) বলেনঃ
“তােমাদের কেহ যেন অন্যের দামের উপর দাম না বলে ।”
কোন ব্যক্তি দোকানে গেল এবং পছন্দ মত কোন জিনিস কিনে নিল কিন্তু ক্রেতা দু’দিন বা তিনদিন সময় চাইল অথবা তার চেয়ে ও বেশি চাইল যাতে ঐ বন্ধুটি অন্য কারাে কাছে বিক্রি না করে এমতাবস্থায় অন্য কোন দোকানীর জন্য এটা
বৈধ হবে না যে, সে ক্রেতার নিকট এল এবং ক্রেতাকে বলল যে, আপনি ঐ মাল নিয়ে আমারটা নেন তার চেয়ে কম মূল্যে তার মতাে বা তার চেয়ে ভালাে আমি আপনাকে দেব এ ধরণের কার্যকলাপ হারাম।
.
কারণ দ্বিতীয় ব্যক্তি আরেকজনের ব্যবসাতে হস্তক্ষেপ করেছে।এমতাবস্থায় বিক্রেতা যদি তার সাথে দরদামের সময়
দেয় তবে আপনি তাকে ছেড়ে দিন এবং তাদের দরদামে দাখেল হবেন না। যদি ক্রেতার ইচ্ছা হয় মাল নিবে আর যদি ইচ্ছা না হয় মাল নিবে না। যখন মাল না নেয় তখন আপনি তার সাথে দরদাম করুন এতে কোন প্রকার নিষেধাজ্ঞা নেই ।
.
ক্রয়ের ক্ষেত্রেও অনাে ক্রয় করতে চাইলে তা হারাম। যথাঃ কোন মুসলমান
কোন এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কোন মাল নির্দিষ্ট মূল্যে ক্রয় করল এবং একটি
নির্দিষ্ট সময় ক্রেতা-বিক্রেতার কাছ থেকে চাইলাে এমতাবস্থায় অন্য কারাে জন্য
বৈধ হবে না যে, সে এই দর দামে প্রবেশ করুক। সে ঐ ব্যবসায়ী বা বিক্রেতার
কাছে গেল এবং তাকে বলল অমুকে এই মালের জন্য যত দাম দিয়েছে তার
চেয়ে আমি বেশী দেব অতএব তুমি এই মাল আমার নিকট বিক্রি কর। এই
ধরণের কার্যকলাপ ইসলামে হারাম। কেননা এতে অর্থাৎ এই ধরণের কার্যকলাপে
মুসলমানদের পারস্পরিক সম্পর্ক ক্ষতি হয়, অন্যের হক নষ্ট করা হয় এবং তাদের
হৃদয়ে আঘাত করা হয়।
.
কেননা কোন মুসলমান ক্রেতা যখন জানতে পারবে যে, আপনি তার লেনদেনে প্রবেশ করেছেন এবং আপনি এই চুক্তি ভাঙ্গতে চেষ্টা করেছেন ফলে সে আপনার বিরুদ্ধে মনে মনে হিংসা করছে, ঘৃণ্য এবং নিকৃষ্ট
মানের মানুষ হিসেবে আপনাকে চিহ্নিত করবে। অথবা কখনও সে আপনার জন্য
বদ দোয়া করবে কারণ আপনি তার সাথে যুলুম করেছেন ।
মহান আল্লাহ্ পাক বলেনঃ তােমরা খােদা-ভীতি এবং সাজে পরস্পর
পরস্পরকে সহযােগিতা কর এবং শত্রুতা পাপ কার্যে পরস্পর পরস্পরকে
সহযােগিতা করাে না।
[ সূরা আনআম-২নং আয়াত।]

Leave a Reply

Your email address will not be published.