জাহান্নামের জ্বালানী

মহান আল্লাহ তা’আলা জাহান্নামের জ্বালানী হিসাবে পাথর এবং পাপিষ্ঠ কাফিরদের কে নির্ধারণ করেছেন।
আয়াহু তা’আলা বলেন,
يا أيها الذين آمنوا قوا أنفسگم أفليم نارا وقودها الثامن و الحجار عليها
من غلاظ شداد لا يعصون الله ما أمرهم ويفعلون ما يؤمرون
‘হে মুমিনগণ! তােমরা নিজেদেরকে এবং তােমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হাব মানুষ এবং পাথর, যাতে নিয়ােজিত আছে নির্মমহৃদয়, কঠোরভাব ফিরিশতাগণ, যারা অমান্য কারন , যা আৰু তাদেরকে আদেশ করেন। আর তারা যা রক্তে আনিষ্ট হয় তাই করে’
(সূরা আত-তাহরীম ৬)
অত্র আয়াতে …..অর্থাৎ মানুষ বলতে কাফির-মুশরিকদেরকে বুঝানাে হয়েছে যারা জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে।
আর ….অর্থাৎ পাথর বলতে কোন প্রকারের পাথর যা আয়হ তা’আলা জাহান্নামের জ্বালানী হিসাবে
ব্যাবহার করবেন তা আল্লাহ তায়ালাই ভাল জানেন। তবে বলা হয়ে থাকে,
ইহা ঐ সমস্ত মুর্তি, কাফির-মুশরিকা যাদের ইবাদত করে । আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,
.
الم وما عون من دون الله حصب جهم أثم ها وار دون
.
তােমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তােমরা যাদের ইবাদত কর সেগুলি তাে জাহান্নামের ইন্ধন; তােমরা সকলে উহাতে প্রবেশ করবে’
(সূরা আদিয়া: ৯৮)
.
কিছু সংখ্যক সালাফে ছালেহঁন বলেছেন, ইহা গন্ধক পাথর যা অনকে প্রজ্জ্বলিত করে।
আহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, এটা গন্ধ পাথর যা আগুনকে প্রজ্জ্বলিত করে, যা আল্লাহ তা’আলা আসমান-যমীন সৃষ্টির সময় সৃষ্টি করে কাফিরদের জন্য নির্ধারণ করেছেন।
.
ইবনে রজব (রহঃ) বলেন, অধিকাংশ মুফাসসিরগণ পাথর বলতে গন্ধক পাথরুকে বুঝিয়েছেন যা আগুনকে প্রজ্জ্বলিত করে এবং বলা হয়ে থাকে এই আগুনে পাঁচ প্রকার শান্তি বিদ্যমান। ১- দ্রুত আগুন জ্বলিতকরণ। ২-
অতি দুর্গময়। ৩- অতিরিক্ত ধোয়া নিসৃতকরণ ৪- কঠিনভাবে শরীরের থে আগুনের সংযুক্তকরণ। ৫- তাপের প্রখরতা।
.
মানুষ আল্লাহ তা’আলাকে বাদ দিয়ে যে সকল ব্যক্তি বা বস্তুকে মাবুদ হিসাবে গ্রহণ করেছে, আল্লাহ তা’আলা জাহান্নামের জ্বালানী হিসাবে মানুষ এবং পাথরের সাথে সে সকল মাবুদদেরকেও জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন।
আল্লাহ তা’আলা বলেন,
.
م وما تعبدون من دون الله حصب جهنم أم لها وارون * لو كان
هؤلاء آلهة ما وردوها وكل فيها خالدون
“তােমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তােমরা যাদের ইবাদত কর সেগুলিতে জাহান্নামের ইন্ধন, তােমরা সকলে তাতে প্রবেশ করবে। যদি তারা ইলাহ হতাে তবে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করত না, তাদের সকলেই তাতে (জাহান্নামে) স্থায়ী হবে’
(সুরা আম্বিয়া: ৯৮-৯৯)

Leave a Reply

Your email address will not be published.