দু’আ কবুল হওয়ার বিশেষ সময় ও উত্তম স্থান

১। আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের দু’আ।
২। ফরয সালাতের পরের দু’আ ।
৩। সিজদারত অবস্থায় দু’আ ।
৪। জমজমের পানি পান করার সময়ের দু’আ।
৫। যে স্থানে যিকির এবং কুরআনের আলােচনা করা হয় ।
৬। তাহজুদ নামাযের সময়ের দু’আ।
৭। সাহরীর সময়ে দু’আ।
৮। ইফতারের সময়ে দু’আ ।
৯। প্রতি শুক্রবার এবং শনিবার আসর নামায থেকে মাগরিব নামাযের আগ পর্যন্ত দু’আ।
১০। বৃষ্টি বর্ষণের সময়ের দু’আ ।
১১। মোরগ ডাকার সময়ের দুআ।
১২। সালাতের ভেতর সূরা ফাতেহা পাঠ শেষে আমীন বলার সময় দু’আ ।
১৩। রমযানে কদরের রাতের দু’আ।
১৪। যিলহজ মাসে প্রথম দশ দিনের দু’আ।
.

দু’আ কবুল হওয়ার উত্তম স্থান

১। কাবাঘরের ভেতরে দু’আ করা।
২। কাবাঘর তাওয়াফ করার সময় দু’আ করা।
৩। সাফা পাহাড়ের উপর দু’আ করা ।
৪। মারওয়া পাহাড়ের উপর দু’আ করা।
৫। সাফা ও মারওয়ার মধ্যবর্তী স্থানে দু’আ করা।
৬। আরাফাতের দিন আরাফার ময়দানে দু’আ করা ।
৭। মুযদালিফায় মাশআরুল হারাম নামক জায়গায় দু’আ করা।
৮। হজের সময় ১১ ও ১২ যিলহজ তারিখে ছােট জামারায় পাথর নিক্ষেপের পর দু’আ করা।
.
যিকির করার জন্য কুরআন ও হাদীসে অসংখ্য দু’আ আছে। সবগুলাে নিয়মিত পাঠ করা কঠিন। তাই যে সমস্ত দু’আর ফযিলত বা মর্যাদা কুরআন ও হাদীসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেবলমাত্র সেইগুলাে থেকে কিছু দু’আ ও যিকির নিজের পছন্দ ও প্রয়ােজন অনুসারে বেছে নিয়ে নিয়মিত আমল করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.