পুরুষরা পুরুষের হাতে নির্যাতিত

বিশেষ করে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে পুরুষরা পুরুষের হাতে বেশী নির্যাতিত। বর্তমানে দেশের কারাগারে প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ রাজনৈতিক কারণে বিনা বিচারে বিনা অপরাধে দিনের পর দিন কাটাচ্ছে। কেউ কেউ শেষ
নিঃশ্বাসটুকু সেখানেই ত্যাগ করছে। নেককার পরহেযগার মানুষগুলােও বিনা
অপরাধে বিনা বিচারে দিনের পর দিন জেলখানাতেই কাটাচ্ছে। অপরাধ শুধু
একটাই ‘রাজনীতি’। প্রকৃতপক্ষে বর্তমান রাজনীতি খুব জঘন্য ও নিম্নমানের।
.
প্রতিহিংসাই এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির মূল ভিত্তি। আর জঙ্গলের পশুর রাজা হচ্ছে সিংহ। সিংহ যেমন নিজের শক্তির জোরে যখন তখন বােনের নিরীহ পশুদের নির্যাতন হত্যা করে তেমনিভাবে যে যখন রাজনীতির ক্ষমতায় থাকে
সে তখন চালায় শক্তির জোর।
.
বর্তমানে দেশে খুনের হার বেড়েছে। প্রতি দিনই দু’দশটা খুন হচ্ছে। খুন এখন স্বাভাবিক বিষয় হয়ে গেছে। কে বা কারা খুন করছে। খুন করার পর হাওয়ার সাথে মিশে যাচ্ছে। একদম লাপাত্তা। দেশের বাঘা বাঘা গােয়েন্দা, পুলিশ সব
ব্যর্থ। খােড়া প্রশাসন কোন খুনের মূল খুনীকে উদঘাটন করতে পারে না। যখন ১০/১৫ দিন কিংবা মাস অতিক্রম হয়ে যাচ্ছে তখন টুপি দাড়িওয়ালাদের ধরে নিয়ে এসে আসামী করে দিচ্ছে। অযথাই একজন নিরপরাধ মানুষকে ধরে নিয়ে
এসে রিমাণ্ডে নিয়ে অস্ত্রের মুখে স্বীকারােক্তি আদায় করা হচ্ছে। এভাবে আজ
বহু পুরুষ নির্যাতনের শিকার। পিলখানায় দিনে-দুপুরে অর্ধশত দেশ সেরা
সেনাবাহিনীর সদস্য নিহত হল। হাতে হাতে একজনকেও গ্রেফতার করা সম্ভব
হল না। আর দীর্ঘ দিন পর ঠিকই শত শত মানুষকে ধরে নির্যাতন করা হচ্ছে।
অন্ধকার ঘরে সাপ মারতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যাঙ মারার মতই হল।
শুধু তাই না, সঠিক তদন্তের অভাবেও আজ পুরুষরা ব্যাপকভাবে নির্যাতিত।
যেমন গত ১৫ অক্টোবর ২২ বছর পর মুক্তি পেল ফজলু মিয়া । ফজলু মিয়ার
অপরাধ কি? বিনা অপরাধে তদপ্তের অভাবে দীর্থ ২২টি বছর কেটে গেল জেল
হাজতে। কে ফিরিয়ে দিবে তার এই ২২টি বছর? কে দিবে তার খেসারত?
হায়রে প্রশাসন! আল্লাহ তােমাদের সঠিক তদন্ত করার তৌফিক দান করুন
আমিন!!

Leave a Reply

Your email address will not be published.