পুরুষ নির্যাতন

পুরুষ-নারী উভয় মানবজাতির মূলভিত্তি । যেমন একজন নারী ছাড়া একটা পরিবার কল্পনা করা যায় না, তেমনি একজন পুরুষ ছাড়াও কোন মানব সমাজ পরিকল্পনা করা অসম্ভব। মহান আল্লাহ সৃষ্টির সেরা হিসাবে মানব জাতিকে
সৃষ্টি করেছেন। আর সেই মানবজাতির মধ্যে পুরুষকে নারীর উপর এক স্তর মর্যাদা বেশি করে সৃষ্টি করেছেন। মহান আল্লাহ পুরুষকেই আগে সৃষ্টি রেছেন। পুরুষকে সৃষ্টি করেছেন মানবজাতির পরিচালক হিসাবে। যেমন
ড্রাইভার হচ্ছে গাড়ীর পরিচালক। ড্রাইভার যদি গাড়ী সঠিকভাবে পরিচালনা
করে, তাহলে যাত্রীরা সবাই সুন্দর ভাবে তাদের গন্তব্যস্থলে পৌছাতে পারবে।
আর যদি গাড়ীর ড্রাইভার ছাড়া অন্য কেউ গাড়ি পরিচালনা করে, তাহলে
গাড়ী গন্তব্যস্থলে পৌছানাে তাে দূরের কথা গাড়ী ধাক্কা ঝাকুনি খেয়ে খেয়ে
এক পর্যায়ে গভীর খাদে উল্টে যাবে। কখন সমুলে ধ্বংস হবে তা কেউ
জানেনা তখন মুল ড্রাইভার শত চিৎকার করে রক্ষা করতে পারবেনা। রাসূল
(সাঃ )-এর বাণী যে জাতির পরিচালক নারী সে জাতি ধ্বংস’।
.
আজ পুরুষরা নিজেদের দায়িত্ব নারীর হাতে ছেড়ে দিয়ে নিজেরাও নির্যাতন হতে নিরাপদ নয়। আগে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হত। নারী র্যাতনের দিক হচ্ছে একমুখী, কিন্তু পুরুষ নির্যাতনের দিক বিভিন্নমুখী। যেমন
নারীরা শুধু পুরুষের হাতে নির্যাতিত। কিন্তু পুরুষরা কখনও পুরুষের হাতে
আবার কখনও নারীর হাতে আবার কখনও উপার্জনের ক্ষেত্রে নির্যাতিত হয় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.