বাইউল আইনাহ হারাম

বাইউল আইনাহ কাকে বলে? একটা উদাহরণ আনা যাক যার দ্বারা বাইউল আইনাহ আপনি বুঝতে পারেন। মনে করুন আপনি কারাে কাছে বাকি মূল্যে কোন মাল বিক্রি করলেন তারপর ক্রেতার সম্মতিতে আপনি নির্দিষ্ট মূল্যের কম মূল্য দিয়ে সেই মাল আবার কিনে নিলেন। যখন বাকি দাম মিটে গেল আপনি তার থেকে উপকৃত হলেন। এই হলাে বাইয়ে আইনাহ, আরবীতে আইন বলা হয় বস্তুর মূলকে আর ব্যবসাকে বাইয়ে
আইনাহ এজন্য বলা হয় যে, এর মূল মাল আবার বিক্রেতার কাছে যদি ফিরে যায় এটা নিষিদ্ধ। কারণ এতে সুদের সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন ঃ আপনি একটি ঘড়ি বিক্রি করলেন দুইশত টাকায় এবং বাকি মূল্য অর্থাৎ দাম স্থির হল মূল্য পরে দেওয়া হবে। এমতাবস্থায় আপনি ক্রেতার সম্মতিতে ক্রেতার কাছ থেকে ১৭৫/= টাকায় কিনে নিলেন। আপনি মূল্য পরিশােধের সময় পুরাে দুইশত টাকাই দিলেন । এতে আপনার বিক্রিত দ্রব্য আপনার কাছে ফেরত এল এবং আপনি তাতে বেশী লাভবান হলেন পক্ষান্তরে ক্রেতা ঠকে গেল। আপনার প্রতি অবশ্য করণীয় যে, আপনি যখন
কারো সাথে ধারে আদান প্রদান করবেন যেমন আপনি যখন ক্রেতার কাছে কোন
বস্তু বিক্রয় করলেন বাকি মূল্যে তখন তাকে আপনি ছেড়ে দেন, সে সেই মাল
আপনি ব্যতীত অন্যের কাছে বিক্রি করুক বা মাল খরচ করে ফেলুক যদি সে ইচ্ছা।
করে সে তার নিকট মাল রাখতে পারে অথবা সে অন্যের নিকট আপনি ব্যতীত ঐ
মাল বিক্রি করতে পারে। ক্রেতা যদি ঐ মালের মূল্যের প্রয়ােজন হয়। মহানবী
(সা) বলেন : হে মুসলমান! যখন তােমরা আইনাহ ধরণের ব্যবসা করবে,
গরুর লেজ আকড়ে ধরবে এবং চাষাবাদে সন্তুষ্ট থাকবে তখন আল্লাহ
তােমাদের উপর অপমান যিতিকে চাপিয়ে দেবেন। যতদিন পর্যন্ত
তােমরা দিনের সঠিক পথে ফিরে না আসবে ততদিন আল্লাহ ঐ অপমানের
বােঝ তােমাদের থেকে সরাবেন না। | -সুনানে আবু দাউদ। ]

Leave a Reply

Your email address will not be published.