মায়ের দুধ সম্পর্কে পবিত্র ইসলামের নির্দেশনা

ইসলাম ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে দুধ
পৃথিবীর সবচেয়ে উপাদেয়, সুস্বাদু ও আদর্শ খাদ্য হল দুধ। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে দুধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। দুধ সম্পর্কে হাদীছ গ্রন্থে মহানবী (ছাঃ)-এর মুখনিঃসৃত বাণীও স্বর্ণাক্ষরে
লিপিবদ্ধ আছে। নিম্নে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে ‘দুধের উপকারিতা” উল্লেখ করা হল :

মায়ের দুধ সম্পর্কে পবিত্র ইসলামের নির্দেশনা :

(ক) মহান আল্লাহ বলেন,
والوالدات يرضعن أولادهن حولين كاملين لمن أراد أن يتم الرضاعة وعلى
المولود له رزقهن وكسوتهن بالمعروف لا تكلف نفس إلا وسعها لا تضار
والدة بولدها ولا مولود له بولده وعلى الوارث مثل ذلك فإن أرادا فصالا عن
تراض منهما وتشاور فلا جناح عليهما وإن أردتم أن تسترضعوا أولادكم
فلا جناح عليكم إذا سلمتم ما أتيتم بالمعروف واتقوا الله واعلموا أن
الله بما تعملون بصير
এবং যে কেউ স্তন্যপানের কাল পূর্ণ করতে ইচ্ছা করে তার জন্যে জননীগণ পূর্ণ দু’বছর স্বীয় সন্তানদেরকে স্তন্য দান করবে, আর সন্তানের জনকণ বিনীতভাবে প্রসূতিদের খোরাক ও তাদের পোষাক দিতে বাধ্য; কাউকেও
তার সাধ্যের অতীত কার্যভার দেয়া হয় না, নিজ সন্তানের কারণে জননীকে এবং নিজ সন্তানের কারণে জনককে ক্ষতিগ্রস্ত করা চলবে না এবং উত্তরাধিকারীগণের প্রতিও একই ধরনের বিধান; কিন্তু যদি তারা পরস্পর পরামর্শ ও সম্মতি অনুসারে স্তন্য ত্যাগ করতে ইচ্ছা করে তবে উভয়ের কোন দোষ নেই; আর তোমরা যদি নিজ সন্তানদেরকে স্তন্য পানের জন্যে সমর্পণ করতঃ বিহিতভাবে কিছু প্রদান কর তাহলেও তোমাদের কোন দোষ নেই এবং আল্লাহকে ভয় কর ও জেনে রাখ যে, তোমরা যা করছো আল্লাহ তা প্রত্যক্ষকারী’ (বাক্বারাহ ২/২৩৩)।g
(খ) মহান আল্লাহ আরও বলেন,
ووصينا الإنسان بوالديه إحسانا حملته أمه كزها ووضعته كزها وحمله
وفصاله ثلاثون شهرا.
আমি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছি তার পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করার জন্য। তার মাতা তাকে গর্ভধারণ করেছে অতি কষ্টের সাথে, প্রসব করেছে কষ্টের সাথে, তার গর্ভধারণ থেকে শুরু করে দুধ ছাড়ানো পর্যন্ত ৩০ মাস সময় লেগে যায়’ (আহক্বাফ ৪৬/১৫)।
(গ) আল্লাহ আরও বলেন,
, “আমি মূসার মাকে নির্দেশ দিলাম তাকে (মূসাকে) দুধপান করাও’ (কাছাছ ২৮/৭)।

Leave a Reply

Your email address will not be published.