যে ব্যবসার মধ্যে হারাম সংযুক্ত হওয়ার ভয় আছে

যখন কোন বিক্রেতা এটা জানতে পারবে যে ক্রেতা বি•ি৩ দ্রব্য দ্বারা কোন হারাম বস্তু তৈরী করবে বা হারাম কাজে ব্যবহার করবে এমতাবস্থায় এরকম বন্ধুর কেনাবেচা হারাম এবং নিষিদ্ধ। কেননা এর দ্বারা বিক্রেতা হারাম ও নিষিদ্ধ কাজে সহযােগিতা করল। মহান আল্লাহ পাক সূরা মায়েদার ২নং আয়াতে বলেনঃ
وتعاونوا على البر والتقوى ولا تعاونوا علي الاثم والعدوان 
তােমরা খােদাভীতি এবং সাজে পরস্পর পরস্পরকে সহযােগিতা কর এবং শত্রুতা অসং কাজে পরস্পর পরস্পরকে সহযােগিতা কর না।” একটা উদাহরণ দেওয়া যাক যখন কোন ব্যক্তি এই উদ্দেশ্যে আঙ্গুর ক্রয় করল যে, এর দ্বারা সে মদ তৈরি করবে অথবা খেজুর এয় করল এই উদ্দেশ্যে যে, এর দ্বারা নেশাজাত দ্রব্য তৈরি করবে অথবা অস্ত্র কিনল মুসলমানদের হত্যার উদ্দেশ্যে অথবা অস্ত্র বিক্রয় করা হল ছিনতাই করার জন্য অথবা বিদ্রোহীদের বিদ্রোহ করার
জন্য অথবা সমাজে ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারীর নিকটে ফ্যাসাদ করার জন্য । এরূপ বিভিন্ন
কাজে সামগ্রী দ্বারা যে সহযােগীতা করল যে সমস্ত কাজ আল্লাহ পাক হারাম
করেছেন অথবা তাতে কাজ করেন তবে সে সমস্তই হারাম কাজ করল এবং নিকৃষ্ট
রুজি উৎপার্জন করল। অতএব এমতাবস্থায় এই সমস্ত দ্রব্যাদির ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ
যদি তার অপকার তা বিক্রেতা জানতে পারে বা সঠিক ধারণা করতে পারে ।
.
আজ যদি এই আইন বাংলাদেশের সমাজে প্রচলিত থাকতাে তাহলে কি আমরা এত খুন রাহাজানী সন্ত্রাস বা এসিডে দগ্ধ কোন মেয়ের মুখ দেখতে পেতাম। আমি কেন আপনিও বলবেন যে, না। কারণ মানুষ যদি জানতে পারে যে,
আপনি যে ব্যবসা করছেন বা আপনি যার কাছে কোন কিছু বিক্রয় করছেন যার দ্বারা অন্য এক মানুষের হােক সে নর কিংবা নারী ক্ষতি হচ্ছে তাহলে আপনি কখনই তা বিক্রয় করতে পারবেন না।
যদি সে এই ছুরি দিয়ে বা এসিড আপনার ছেলে বা মেয়ের বিরুদ্ধে ব্যবহার
করে তবে কি আপনি তার নিকট বিক্রি করতে সম্মত হবেন আর বলতে চাইবেন যে,
আমার ব্যবসা করার দরকার।
বিক্রি করার দরকার কোথায় কার বিরুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে তার জানা আমার কি প্রয়ােজন?
তাহলে আমি বলব আপনি নিজের উপর আগে চিন্তা করুন। দেখবেন আর আইন প্রয়ােগের
প্রয়ােজন হবে না এমনি এমনি মানুষ এই সমস্ত কাজ বন্ধ করে দেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.