হারাম অশ্লীল গানে সজ্জিত ক্যাসেটের ব্যবসা

যে সমস্ত গানের ক্যাসেটে গায়ক-গায়িকা বাদ্যযন্ত্র সমহারে প্রেম-পীরিতির । কামােদ্দীপক এবং মহিলাদের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টিকারী গান গায় তা সম্পূর্ণ হারাম। এতদ্বভিন্ন এই সমস্ত ক্যাসেট শােনা, প্রকাশনা করা, ব্যবসা করা এবং এর দ্বারা লাভবান হওয়া হারাম। নিকৃষ্ট রুজি হিসেবে শরীয়ত স্বীকৃত। এ ব্যাপারে মহানবী (সা) এর পক্ষ থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কারণ এর মাধ্যমে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হয়, চরিত্র ধ্বংস হয় এবং মুসলমান সমাজে অনাচার প্রসারিত হয়। শুধু তাই নয় বরং আজকাল বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে যে সমস্ত ক্যাসেট পাওয়া যায় তাতেও বিভিন্ন বিদআতি আমল প্রচারিত হয়ে থাকে যার ব্যবসা করা আর বিদআত প্রচার করা একই কথা।
এতদ্ব্যতীত আরবী মাসসমূহের মধ্যে রজব ও মহররম মাসে বিভিন্ন পীর মুর্শিদের ও হাসান ও হুসাইনের
নামে বিভিন্ন কপােলকল্পিত ক্যাসেট
বের করা হয় যা শুধু মুসলমানদের ঈমানকে ধ্বংস করছে। আপনি নিজেই যদি
খেয়াল করেন তবে দেখতে পাবেন আজ বাংলাদেশে কোন ধরণের সংস্কৃতির প্রবাহ
চলছে । এ কি বাংলাদেশী মুসলমানদের প্রবাহ তা প্রকৃত সংস্কৃতির সাথে পরিচিত
.
কোন বাংলাদেশী বলতে পারবেন? আমাদের বাংলাদেশী মুসলমান হিসেবে কোন ধরণের সংস্কৃতির সাথে সংযুক্ত থাকা উচিৎ এমন কোন সংস্কৃতিকে যে কোন জাতি বা রাষ্ট্র সঠিক বলে স্বীকৃতি দেয় না যার তার নিজ জাতীয়তা সংস্কৃতি বা স্বকীয়তাকে ধ্বংস করে দেয়। তাহলে আমরা মুসলমান হয়ে আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলার পরও যদি আমাদের হেলে মেয়েরা তারা অন্য এমন সংস্কৃতির ধারক বাহক হয় যা ইসলামীও নয় আবার বাংলাদেশীও নয় তাহলে কি এই উপমাটি মিথ্যা হবে। অতএব সকল মুসলমানকে এটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, এমন
কোন কাজ বা ব্যবসা করা যাবে না যা আমাদের ইবাদতকে ধ্বংস করে দেয় বা
আমাদের প্রতি আমাদের মালিক রাজ্জাক মহান আল্লাহ নারাজ হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.